জেএসসিতে ঢাকা বোর্ডে ১৬২৮৫ জন বৃত্তি পেল

জেএসসি’তে ঢাকাবোর্ডে ১৬২৮৫জনের বৃত্তি লাভ। ২০১৭  সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে; ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বৃত্তি পেয়েছে ১৬ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী।

এর মধ্যে ‘মেধাবৃত্তি’ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন এবং ‘সাধারণ বৃত্তি’ পেয়েছে ১০ হাজার ১৫৪ জন শিক্ষার্থী।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

‘মেধাবৃত্তি’ পাওয়া শিক্ষার্থী প্রত্যেকে মাসে ৪৫০ টাকা ও ‘সাধারণবৃত্তি’ পাওয়া শিক্ষার্থীরা ৩০০ টাকা করে বৃত্তি পাবে।

এ ছাড়া বইপত্র ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ‘মেধাবৃত্তি’ পাওয়া; প্রত্যেকে প্রতিবছর ৫৬০ টাকা ও সাধারণ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা ৩৫০ টাকা এককালীন পাবে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই বছর এই বৃত্তি পাবে শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বোর্ড জানিয়েছে, নীতিমালা অনুযায়ী বৃত্তি পাওয়া সব শিক্ষার্থী বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবে।

সরকারি অনুদান পাওয়া ও শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন (টিউশন ফি) আদায় করতে পারবে না।
কোনো প্রতিষ্ঠান তা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তথ্য সুত্র: জেএসসি’তে ঢাকাবোর্ডে ১৬২৮৫জনের বৃত্তি লাভ



ঢাকা বোর্ড সম্পর্কে জানুনঃ (উইকিপিডিয়া থেকে পাওয়া)

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে।

এই শিক্ষা বোর্ড ১৯২১ সালে বাংলাদেশের ঢাকা জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়।ঢাকার বকশিবাজার এলাকায় জয়নাগ সড়কে এর বর্তমান দাপ্তরিক ভবন অবস্থিত।

গঠনঃ বোর্ডের অর্ডিন্যান্স অনুসারে, ঢাকা জেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের তদারকি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাবলিক পরীক্ষাসমূহ পরিচালনা ও উন্নয়নের জন্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; যা পূর্ব পাকিস্তান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ (East Pakistan Ordinance No. XXXIII of 1961, Section 3A(1)) ও এর ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের ষোড়শ এবং ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দের সপ্তদশ সংশোধনী দ্বারা দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত।

কার্যক্রম সমূহঃ (১) সনদপত্র উত্তোলন। (২) নম্বরপত্র উত্তোলন। (৩) নাম সংশোধন। (৪) যেকোন বিষয়ে ফলাফল সংশোধন। (৫) ভর্তি বাতিল। (৬) এক কলেজ থেকে ভর্তি বাতিল করে নতুন কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করন।

 আরো জানুনঃ

(১) নিউইয়র্ককে বাংলাদেশিরাই সমৃদ্ধ করছে

(২) ফেসবুকের জব