.

Trusted news blog of the World.

খালেদা এবং বিএনপি দলের জন্য কার অভাবটা কেমন?

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে  ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে বিশেষ আদালত।

জাতীয় নির্বাচনের এ বছরে দলের চেয়ারপার্সনকে কারাগারে পাঠানোর প্রেক্ষিতে বিএনপির নির্বাচনী কৌশলে কী কোন প্রভাব পড়তে পারে ?  নির্বাচন এবছরের শেষের দিকে হবার কথা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নিউজ টুডে’র সম্পাদক জনাব রিয়াজউদ্দিন আহমেদ মনে করেন এই রায়ের ফলে বিএনপি খুব বেশি অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়বে না।

কারণ তার মতে দলটি এই বিষয়ে পূর্ব প্রস্তুতি নেয়ার যথেষ্ট সময় পেয়েছে। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দল কিভাবে চলবে; তা নিয়ে গত সপ্তাহে বিএনপির নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এমনকি ৮ই ফেব্রুয়ারী বেগম জিয়া সাংবাদিক সম্মেলন করে দলের সবাইকে তার অবর্তমানে দল পরিচালন ভার সম্পর্কে নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

বিএনপির জন্য এটি খুবই বড় সঙ্কট হলেও এটি কাটিয়ে উঠতে পারা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, “কারণ ১২ বছর দল ক্ষমতার বাইরে থাকলেও তৃণমূলে কোনো ভাঙন দেখা যায়নি”। খালেদা এবং বিএনপি দলের জন্য কার অভাবটা কেমন?

খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার প্রেক্ষিতে জনাব রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন জেলখানায় নেতাদের যাওয়া নতুন কিছু না।

জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন,” বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ও পরে রাজনৈতিক নেতাদের জেলখানায় নেয়া হয়েছে এবং জেলখানা থেকে নেতার নির্দেশে দল পরিচালিত হয়েছে।

আগে জেল থেকে ছোট কাগজে বার্তা লিখে পাঠানোর রীতি ছিল।  যাকে ‘চিট’ বলা হোতো। আর বর্তমানে নানারকম প্রযুক্তি রয়েছে যার মাধ্যমে তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত নেতাকর্মীদের জানাতে পারবেন”।

জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মনে করেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপীল করলে বেগম খালেদা জিয়া হয়তো জামিন পেয়ে যাবেন; তার ধারনা খালেদা জিয়ার নির্বাচন করার পক্ষেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে উচ্চ আদালত।

মিঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এর মতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় সরকার যদি মনে করে খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে রাখবে না তাহলে সেটি সরকারের জন্য খুব একটা লাভজনক হবে না।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন এ রায়ে খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার পাননি; তিনি বলেন, “আমরা ক্ষুব্ধ; রায়ের বিরুদ্ধে, আমরা আইনগত পদক্ষেপ অবশ্যই নিবো”।

এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের একজন সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, “সরকারকে খুশি করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই মামলার রায় দেয়া হয়েছে”।

এই রায়ে খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হবে কিনা জানতে চাইলে উত্তরে তিনি বলেন আইনগত ভাবে; এই বিষয়ের সমাধান করা হবে আর এই রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি উচ্চ আদালতে আপীল করবে বলে জানায় জনাব সানাউল্লাহ মিয়া।

ওদিকে রায়ের সমালোচনার প্রেক্ষিতে দলের যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন; তারা আদালতে রায়ের কপির জন্য আবেদন করেছেন এবং সেটি পেলে রবিবার বা সোমবারে এ রায়ের বিরুদ্ধ আপীল করবেন।

অন্যদিকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নেতাকর্মীদের রাস্তায় নেমে এসে শাান্তিপূর্ণ ভাবে আইনের সীমায় থেকে আন্দোলনে নেমে আসার আহবান জানিয়েছেন।

তাৎক্ষনিক প্রেস ব্রিফিং এ তিনি বলেন, “এ রায়ে প্রতিহিংসার বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছে সরকার”। খালেদা এবং বিএনপি দলের জন্য কার অভাবটা কেমন?

আরো জানুন:

(১) আই এস এর বর্তমান অবস্থা কি ?

(২) কিডনির পাথর গলাতে চান?

 

Your SEO optimized title page contents