.

Trusted news blog of the World.

শৈল্পিক ফুটবলের কাছে ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের অপমৃত্যু !!!!


সবাই মিলে আসুন ব্রাজিল দলের সমর্থকদের জন্য আজকের দিনটা শোক দিবস হিসেবে পালন করি; গতকাল বেলজিয়ামদের খেলায় আর্জেন্টাইন শৈল্পিক ফুটবলের অনুপম নিদর্শনই যেন আরেকবার দেখা গেলো; বিশ্ববাসী  কাল দেখে ফেললো, আর্জেন্টিনার শৈল্পিক ফুটবলের যোগ্য উত্তরসূরি বেলজিয়াম দলটিকে।

কাল সব আর্জেন্টিনা- ব্রাজিল সমর্থকদের মনেই এই ভাবনাটা জাগ্রত হয়েছিল। খেলা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিলো যেন আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিলের খেলা দেখছি। গতকাল শুধু আর্জেন্টিনার নীল সাদা জার্সিটি ছিল না; কিন্তু খেলার ভিতর সেই নীল সাদা জার্সির অদৃশ ছায়া দেখা হলো খেলার প্রতিটা মুহূর্তে;

বেলজিয়ামদের বল নিয়ে প্রতিটা মুভমেন্ট, দৌড়ানোর স্টাইল, প্রতিটা পাস এবং বলের উপর নিয়ন্ত্রণ এর মাঝেই ছিল শিল্পীর ছোয়া; এমন সুন্দর ফুটবল উপহার দেওয়ার জন্য বেলজিয়াম ফুটবলারদের ধন্যবাদ; বেলজিয়ামদের শৈল্পিক ফুটবলের কাছে ব্রাজিলিয়ানদের সাম্বা ছন্দ যেভাবে পরাস্থ্য হলো সেটা সত্যিই  ভোলার মতো নয়।

গতকাল যখন খেলার মাত্র ৩০ মিনিটেই ব্রাজিল ২-০ তে পিছিয়ে পড়লো তখন হটাৎ গত বিশ্বকাপের জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে ব্রাজিলিয়ানদের হারার স্মৃতিটা ফিরে আসছিলো।

আর সেই স্মৃতিটা হয়তো অনেক ব্রাজিলিয়ান সমর্থকের মনেই উঁকি দিচ্ছিলো; কিন্তু একটা বিশ্বাস ছিল যে, শৈল্পিক ফুটবল কখনো জার্মানীদের মত এতটা নিষ্ঠুর -নির্দয় হতে পারে না।

আমরা সবাই জানি শিল্প কিংবা শিল্পী কখনো নির্মম বা নিষ্ঠুর আচরণ করতে পারে না। জার্মানীরা সেদিন যতটা নির্দয় বা নিষ্ঠুর ছিল কিন্তু বেলজিয়ামরা কাল সেভাবে নির্দয় ছিল না; কারণ বেলজিয়ানদের ভিতর শৈল্পিক ফুটবলের ছোয়া ছিল।

ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশ্যে শুধুই একটাই কথা বলার আছে যে,  এই বিশ্বকাপে কালকের আগ পর্যন্ত ব্রাজিল ভালো মানের টিমের সাথে খেলেনি। তাদের খেলা কেমন সেটা প্রমান করার জন্য একটা ভালো টিমের সাথে খেলা পড়লেই বুঝা যাবে?

গতকালই প্রথম ব্রাজিল একটা ভালো মানের ( যাদের বিশ্বকাপে ফেভারিট হিসেবে ধরা হচ্ছিলো) দলের মুখোমুখি হলো তাইতো ব্রাজিলের বাড়ি ফিরে যাবার টিকেট কন্ফার্ম হয়ে গেলো।  এই কথাটাই ব্রাজিল সমর্থকরা এতদিন অবধি বিশ্বাস করতে চাইতো না; যাইহোক, গতকাল রাত থেকেই ব্রাজিল সমর্থকদের মন খারাপ তাই তাদের প্রতি সমবেদনা রইলো।

আরো একটি কথা যা না বললেই নয়- তা হলো গতকালকের খেলায়-বেলজিয়ামদের টেকনিক ছিল যে তারা কোনভাবেই ব্রাজিলিয়ান -খেলোয়াড়দের কারো গায়ে কিংবা পায়ে টাচ ও করবে না; কারণ বেলজিয়ামরা জানতো ব্রাজিল খেলোয়াড়দের গায়ে কিংবা পায়ে একটু স্পর্শ হলে তার ফলাফল কি হতে পারে।

যার দরুন কাল ব্রাজিল ঠিক আগের খেলা গুলার মতো ফ্রি কিক কিংবা পেনাল্টি পাওয়ার কোনো চান্স পাইনি; কিন্তু এমন খেলা দেখে রেফারিও বেলজিয়ামদের ব্যাপারে অসহায় ছিল।

আরো জানুন:

(১) মেসির ৬০০ গোলের মাইলফলকে যেসব ঘটনা রয়েছে

(২) ওয়ার্ন যখন রাজস্থান রয়্যালসের মেন্টর

(৩) রোনালদোকে ছাপিয়ে দ্রুততম ৬০০ গোল এখন মেসির

 

Your SEO optimized title page contents