.

Trusted news blog of the World.

পুরুষ সেজে দুই নারীকে বিয়ে করলেন !


পুরুষ সেজে দুইবার বিয়ে করেছেন এক নারী। পরে পুলিশের কাছে ধরাও পড়েছেন। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের নৈনিতাল এলাকায়।

বিজনর গ্রামের কৃষ্ণা সেন ওরফে সুইটি সেন (৩১) তিন বছরের ব্যবধানে দুজনের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন; তবে হাজার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। এক স্ত্রী তার বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগ আনলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

গত বৃহস্পতিবার পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কৃষ্ণা সেন স্বীকার করেন, তিনি একজন নারী; প্রথম তিনি নিজেকে ফেসবুকে পুরুষ হিসাবে উপস্থাপন করে নারীদের আকৃষ্ট করেন।

রাতের অন্ধকারে স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হতেন যৌন খেলনা দিয়ে। এই খেলনা তিনি অনলাইন অর্ডার দিয়ে কেনেন।

আরো জানুন:
►  ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৮-এর এস পেনে
► বাংলাদেশে মোবাইল ফোর জি সেবা কতটুকু কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারবে?





নৈনিতাল জেলার সিনিয়র পুলিশ সুপার জনমেজয় খানদুরি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, কৃষ্ণার বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ, প্রতারণা এবং জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

যদিও তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ ছিল যৌতুকের দাবিতে হয়রানির; তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সেই অভিযোগ পরিবর্তন করে নতুন করে অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, আসামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। এরপর আর্থিক ফায়দা নিতে বিয়ে পর্যন্ত তা গড়াত। কৃষ্ণা আর কোনো নারীকে ঠকিয়েছেন কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কৃষ্ণা সেন প্রথম বিয়ে করেন ২০১৪ সালে। নৈনিতালের পাশেই কাঠগুদাম গ্রামে এলাকায় ছিল তার প্রথম স্ত্রীর বাড়ি; সেসময় তিনি নিজেকে ধনী ব্যবসায়ীর ছেলে বলে পরিচয় দেন।

পুলিশের ভাষ্যমতে, বিয়ের পরপরই তিনি স্ত্রীকে মারপিট করা শুরু করেন যৌতুকের দাবিতে; এমনকি স্ত্রীর পরিবারের কাছ থেকে আট লাখের বেশি টাকা নেওয়ার পরেও তিনি তার মারধর থামাননি।

পুলিশ আরো জানায়, ২০১৬ সালে কৃষ্ণা সেন করবেট টাইগার রিজার্ভের পার্শ্ববর্তী কালাধুনি গ্রামের আরেক মেয়েকে ফাঁদে ফেলে করে তাকে বিয়ে করেন।

এই কাজটিও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেই করেন।

যদিও তার প্রথম স্ত্রী বুঝে ফেলেছিলেন যে তার স্বামী পুরুষ না; তবে স্বামী তাকে হুমকি এবং তার টাকা ফেরত দেওয়ার ওয়াদা করলে তিনি চুপ হয়ে যান।

প্রথম স্ত্রী চুপ করে থাকলেও তার দ্বিতীয় স্ত্রী তার বিরুদ্ধ্বে যৌতুকের অভিযোগ করেন হালদারওয়ানি পুলিশের কাছে।

সিনিয়র পুলিশ সুপার জনমেজয় খানদুরি আরো বলেন, ‘আমরা সামগ্রিক ঘটনায় কৃষ্ণার পরিবারের ভূমিকা খতিয়ে দেখছি। তার পরিবার হালদারওয়ানিতে অনুষ্ঠিত বিয়েতে উপস্থিত ছিল।

এই প্রতারণায় তার পরিবার যুক্ত কিনা তা আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’ ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, সেই ব্যক্তির প্রথম স্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবার শাস্তি দাবি করেছেন।



আরো জানুন:

(১) বাংলাদেশে মোবাইল ফোর জি সেবা

(২)  বিমান সাদা হবার রহস্য




Follow us