SIKDER ONLINE

Trusted news blog of the World.

মাইক্রোসফট এক্সেল শিখুন- গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট শিখে নিন

মাইক্রোসফট এক্সেল শিখুন- গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট শিখে নিন। এক্সেল ব্যবহারকারীর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট কী ও কিছু সূত্র জেনে নিন কাজে আসবে

যুক্তির উৎকর্ষতায় এখন আর আমাদের কাগজ, কলম ও কেলকুলেটারের উভর নির্ভর করতে হয় না। আগে যে কাজটি করতে বছর বছর সময় লাগতো এখন চোখের পলকেই সম্ভব।

আর এর সবই হয়েছে কম্পিউটারের মাধ্যমে। আমাদের প্রতিদিনের কাজে আমরা মাইক্রেসফট অফিসের বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করি। যেমন মাইক্রেসফট ওয়ার্ড, এক্সেল। আজ আমরা এক্সেলের কিছু শটকার্ট কী জানবে-

 

ব্যস্ততার মুহূর্তে সময় বাঁচাতে শর্টকার্ট কি ব্যবহার ব্যবহার করতে পারেন। নিম্নে এক্সেলের বিভিন্ন কাজের শর্টকাট কি দেওয়া হলো।

অ্যারো কি: ডানে, বামে, ওপরে এবং নিচে কারসর নাড়াতে।

শর্টকার্ট কী গুলি হল –

Ctrl+Arrow : ডানে, বামে, ওপরে এবং নিচে লেখার শেষে কারসর যাবে।
Ctrl+Home : ফিল্ড বা লেখার শুরুতে কারসর।
Ctrl+End : ফিল্ড বা লেখার শেষে কারসর।
Ctrl+Page Up : আগের পৃষ্ঠা বা ওয়ার্কশিটে যাওয়া।
Ctrl+Page Down : পরের পৃষ্ঠা বা ওয়ার্কশিটে যাওয়া।
Atl+Page Up : ডকুমেন্টের প্রথম কলামে অবস্থান করা।
Atl+Page Down : ডকুমেন্টের শেষ কলামে অবস্থান করা।
Atl+Enter : ফিল্ডে কারসর রেখে দুই ক্লিকের মাধ্যমে পরের লাইন তৈরি করা।

Shift+TAB : পেছনের ফিল্ড থেকে প্রথম ফিল্ডে একেক করে যাওয়া।

Ctrl+1 : ফন্ট, বর্ডার, নম্বর ইত্যাদির পরিবর্তন করা।
Ctrl+2 : ফন্ট বোল্ড করা।
Ctrl+3 : লেখাকে ইটালিক করা।
Ctrl+4 : লেখা আন্ডারলাইন করা।
Ctrl+5 : লেখার মাঝখান বরাবর কাটা দাগ (স্ট্রাইক থ্রু)।
Ctrl+7 : স্ট্যান্ডার্ড টুলবার সরিয়ে দেওয়া।
Ctrl+9 : কারসর যে ফিল্ডে আছে, তা মুছে ফেলা (রো ডিলিট)।
Ctrl+0 : কলাম ডিলিট।
Atl+F1 : ওয়ার্কশিটের সঙ্গে চার্টশিট যুক্ত করা।
Atl+F2 : সেভ অ্যাজ।
Ctrl+F3 : ডিফাইন ডায়ালগ বক্স খোলা।
Ctrl+F4 : ফাইল বন্ধ করা।
Ctrl+F5 : ফাইল নামসহ আদালা উইন্ডো।
Ctrl+F8 : ম্যাক্রো তৈরির জন্য ডায়লগ বক্স খোলা।
Ctrl+F9 : ফাইল মিনিমাইজ করা।
Ctrl+F10 : ফাইল নামসহ আলাদা ইউন্ডো।
Ctrl+F11: ওয়ার্কশিটের সঙ্গে ম্যাকরো শিট যুক্ত করা।
Ctrl+F12 : ওপেন ডায়ালগ বক্স।

আরো জানুন:

(১)  আমলকীর গুনাগুন যা জানলে আপনার অবাক মনে হতেই পারে।

(২) অভ্যাস করুন সুস্থ থাকুন।

আমরা (এক্সেল ব্যবহারকারীর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট কী) সম্পর্কে জেনেছি।

আজ আমরা এক্সলের কিছু মজার মজার ফাংশন যেমন- গসাগু নির্ণয়, লসাগু নির্ণয়, বর্গমূল নির্ণয়, দিন-তারিখ ইত্যাদি ইত্যাদি নির্ণয়ের ফর্মুলা শেয়ার করা হল যা আপনার বিভিন্ন কাজে আসবে বলে আমি মনে করি।

সুত্র গুলি নিম্ন রুপ-

দুটি, তিনটি কিংবা একাধিক সংখ্যার গসাগু নির্ণয় করতে চাইলে GCD ফাংশন ব্যবহার করে সহজে গসাগু বের করতে পারি।

Syntax:
=GCD(4,16,64)
উত্তর- 4

দুটি, তিনটি কিংবা একাধিক সংখ্যার লসাগু নির্ণয় করতে চাইলে LCM ফাংশন ব্যবহার করে সহজে লসাগু বের করতে পারি।
Syntax:
=LCM(24,36)
উত্তর – 72

কোন সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে চাইলে SQRT ফর্মুলা ব্যবহার করে সহজে বর্গমূল নির্ণয় করতে পারি। কিন্তু Number এর মান অবশ্যই ধনাত্নক হতে হবে।

Syntax:
=SQRT(81)
উত্তর – 9

কোন সংখ্যার বর্গ বা ঘাত নির্ণয় করতে Power ফর্মুলা টি ব্যবহার করা হয়।

Syntax-

=POWER(5,2)
এখানে 5 হচ্ছে সংখ্যা এবং 2 হচ্ছে ঘাত। উক্ত সিনট্যাক্স টির উত্তর হবে 25.
ROUND আসন্ন মান অর্থাৎ মোটামুটি কাছি অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন – ২.৫৬৮৫ সংখ্যাটিকে দুই দশমিক আসন্ন মান লিখতে বলা হলে ২.৫৭ লেখা হয়।

Syntax: =ROUND(18.378,2)
উত্তর – 18.38

আজকের দিন (বর্তমান সময়) দিন তারিখ সময় মাস ও বছর জানার জন্য NOW,Month(Now()) ও YEAR(Now()) ফর্মুলা ব্যবহার করে সহজে তা নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
=NOW()
শুধু মাস বের করতে চাইলে?
=Month(Now())

শুধু বছর বের করতে চাইলে ?
=YEAR(Now())

কোন তারিখ কি বার জানতে চাইলে?
=WEEK DAY(“01/01/1990”)
উত্তর- 6 (অর্থাৎ Friday)

কোন তারিখ কি বার জানার জন্য?
=TEXT(“01/01/1990”,ddd)
উত্তর – Friday

মাইক্রোসফট এক্সেল শিখুন- গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট শিখে নিন

এক্সেল এর গুরুত্বপূর্ন  ১০ টি সুত্র

1. SUM ( যোগফল )
SUM দ্বারা Cell -র মধ্যে থাকা সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা হয়।
Syntax:
=sum(1,2,5,6)
=২+৫+৯+৭
sum(A1,A2,A3,A4)
sum(A1,A2,A3,A4)
sum(A1:A4)

প্রয়োগ করার নিয়ম- Excel ওপেন করে ‘=’ চিহ্নটি টাইপ করুণ এরপর sum(1,2,5,6) টাইপ করার পর এন্টার চাপুন। তৎক্ষণাৎ আপনি তার উত্তর পাবেন। এভাবে ২,৩,৪… নং সুত্র গুলিও প্রয়োগ করে যোগফল করতে পারেন। এছাড়াও Autosum করেও যোগফল বের করতে পারেন। A1,A2,A3,A4 এগুলি হল Cell অ্যাড্রেস নেম। A1 এর মধ্যে যে সংখ্যাগুলি থাকে সেগুলিকে ধারন করবে। বিস্তারিত পরের পর্বে পাবেন।

2. PRODUCT( গুণফল )
Product দ্বারা Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির গুন নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
=5*6*7*6
=product(5,6,7,1)
=product(A1,A2,A3,A4)
=product(A1:A4)

3. Average( গড়)
Average দ্বারা Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির গড় নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
=Average(5,6.8)
=Average(A1,A2,A3,A4)
=Average(A1:A4)

4. MAX (সর্বাধিক)
Maximum দ্বারা কোন Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির মধ্যে সর্বাধিক (সবচেয়ে বড়) সংখ্যা নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
=Max(5,6.8)
=Max(A1,A2,A3,A4)
=Max(A1:A4)

5. MIN (সর্বনিম্ন)
Minimum দ্বারা কোন Cell এর মধ্যে থাকা সংখ্যা গুলির মধ্যে সর্বনিম্ন (সবচেয়ে ছোট) সংখ্যা নির্ণয় করা যায়।
Syntax:
=Min(5,6.8)
=Min(A1,A2,A3,A4)
=Min(A1:A4)

6.ROUND (আসন্ন মান)
ROUND আসন্ন মান অর্থাৎ মোটামুটি কাছি অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন – ২.৫৬৮৫ সংখ্যাটিকে দুই দশমিক আসন্ন মান লিখতে বলা হলে ২.৫৭ লেখা হয়।

=round(2.15,1)
2.15 কে মোটামুটি এক দশমিক স্থানে প্রকাশ করলে 2.2 হয়।

7. COUNT (গণনা )
একটি rang -এর সাংখিক মান গণনা করা হয়।
=Count(5,6.8)
=Count(A1,A2,A3,A4)
=Count(A1:A4)
১ নং সিনট্যাক্স টির উত্তর হবে ৩। কেননা ওখানে তিনটি অংক রয়েছে।

8. IF (শর্ত সাপেক্ষ)
IF ফর্মুলা দিয়ে শর্ত আরোপ সহ গণনা করা যায়। সাধারন অর্থে – কোন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছত্রীদের পাস-ফেল বের করা।
Syntax

=IF(A10>=100,A3*2,A2*2)
বর্ণনা-
এখানে A10 যদি 100 -র সমান বা বেশি হয় সেক্ষেত্রে A3*2 এই সংকেত ব্যবহৃত হবে।
কিন্তু A10 যদি 100 থেকে কম হয় সেক্ষেত্রে A2*2 সংকেত ব্যবহৃত হবে।

জানুনঃ একজন আয়মান সাদিক ও তার টেন মিনিট স্কুল

9. SQRT (বর্গমূল)
কোন সংখ্যার বর্গমূল বের করতে SQRT(Square root) ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়।
Syntax:
=sqrt(81)
[ 81 এর পরিবর্তে নিজের পছন্দ মতো সংখ্যা বসানো যেতে পারে ]

10. POWER(ঘাত)
কোন সংখ্যার বর্গ বা ঘাত নির্ণয় করতে Power ফর্মুলা টি ব্যবহার করা হয়।
Syntax-
=POWER(5,2)
এখানে 5 হচ্ছে সংখ্যা এবং 2 হচ্ছে ঘাত। উক্ত সিনট্যাক্স টির উত্তর হবে 25.

মাইক্রোসফট এক্সেল শিখুন- গুরুত্বপূর্ণ শর্টকার্ট শিখে নিন

আরো জানুন:

(১) ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৮-এর এস পেনে

(২) একজন আয়মান সাদিক ও তার টেন মিনিট স্কুল

Please enable JavaScript to view the comments powered by Disqus.